সুজাতা খাঁর দলত্যাগের কোনও প্রভাব ভোটে পড়বে না, বললেন দিলীপ ঘোষ - The News Lion

সুজাতা খাঁর দলত্যাগের কোনও প্রভাব ভোটে পড়বে না, বললেন দিলীপ ঘোষ




দি নিউজ লায়ন ;   কেতুগ্রামের কান্দরার সভার আগে কাটোয়ায় চায়ে পে চর্চায় যোগদান করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার চায়ে পে চর্চায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি থেকে কান্দরায় সভায় নিজের ঢঙ্গেই তৃনমূল কংগ্রেসকে আগাগোড়া নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বাম বা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সেই ভাবে কোনো কথাই দিলীপবাবু কাছ থেকে শোনা গেলো না। শুধুই তৃনমূল কংগ্রেসের সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ। 


কাটোয়ায় চায়ে পে চর্চায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কুৎসা করার জন্যই পাঁচশো কোটি টাকা দিয়ে আনা হয়েছে পিকে-কে।” চায়ে পে চর্চায় সুজাতা খাঁয়ের তৃনমূল কংগ্রেসে যোগদান প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন দিলীপবাবু। দিলীপ ঘোষ সাফ জানান, “এই দলত্যাগের কোনও প্রভাব ভোটে পড়বে না।“ তবে তিনি খাঁ দম্পতির ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে মুখ খোলেন নি। 


প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে তিনি বলেন, “আগে তৃণমূল ভয় দেখাতো। মারধর করতো। হুমকি দিত। মিথ্যা মামলা দিত। এখন ওদের আর দম নেই। তাই কুৎসা প্রচার করছে। এর হোতা প্রশান্ত কিশোর, উনি তৃণমূলের কাছ থেকে ৫০০ কোটি টাকা নিয়েছেন কুৎসা প্রচারের জন্যই। তাই আমাদের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কুৎসা প্রচার করছেন।”  উল্লেখ্য, কেতুগ্রামের কাঁদরায় সভায় যোগ দেওয়ার জন্য সোমবার রাতেই কাটোয়া যান দিলীপবাবু। 


সকালে কাটোয়া সার্কাস ময়দানের গেষ্টহাউস থেকে হেঁটে গৌরাঙ্গবাড়িতে যান। সেখানে পুজো দেওয়ার পর পুরসভা মোড়ে চায়ে পে চর্চায় যোগ দেন তিনি। এরপর কেতুগ্রামের কান্দরার জনসভায় যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এখানেও তিনি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তাঁর বক্তৃতায় মাঠ না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন। 


তিনি বলেন, জনসভার জন্য মাঠ পাওয়া যায় না। এখানে জায়গা কম তাই সব কর্মীকে ডাকা হয় নি। প্রচুর লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে তারা দেখতে পাচ্ছে না। যে মাঠে জনসভা হচ্ছে তার পাশের মাঠে লোক  দাঁড়িয়ে  আছে। পুলিশ নাকি বলছে মাঠে পা দেওয়া যাবে না। বিনা কারণে যারা মানুষকে কষ্ট দিচ্ছেন, বিজেপিকে আটকাচ্ছেন তাদের কপালে দুঃভোগ আছে। 


 যদিও কেতুগ্রাম বিধানসভার তৃনমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সেখ শাহনোয়াজ বলেন, “ব্যাক্তিগত জায়গার উপরই সব রাজনৈতিক দল মিটিং করে। যাদের জায়গা তারা যদি বিজেপিকে না তার জন্য আমাদের কিছু করার নেই। আর মঙ্গলবার বিজেপি মঙ্গলকোট, ভাতার, পূর্বস্থলী কাটোয়া সহ সাত-আট টা বিধানসভা এলাকা থেকে লোক নিয়ে এসে জনসভা ও যোগদান মেলা করেছে। দু একজন ছাড়া যারা যোগদান করেছে তার বেশিরভাগ কেতুগ্রাম বিধানসভা এলাকার বাইরের লোকজন। তাছাড়া কেতুগ্রাম থেকে ওদের লোক হয় নি। বহু বাসই দেখা গেলে বাইরে থেকে এসেছে।“

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.